শ্রী অনিকেত
মহালয়া মূলত তর্পনের তিথি। তর্পনের সাথে জড়িয়ে থাকে মৃত্যু, শোক এবং দুঃখ তাই মহালয়ার শুভেচ্ছা জানানো যায় কি না তা নিয়ে বিতর্ক আছে তবে শুভ এবং অশুভ শক্তি যেমন পাশাপাশি থাকে তেমনই আজ আনন্দরও কারন
আছে। আজ দেবী পক্ষের সূচনা। দেবী আসছেন।
আজ মহালয়ার এই দিনটি দেবী পক্ষের সূচনা কাল বা দুর্গাপুজোর শুরু হিসেবে বাঙালির জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে সেই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের মহিষাসুর মর্দিনী অনুষ্ঠানের সম্প্রচারের সময় থেকে|
শাস্ত্র মতে রামচন্দ্র লংকা বিজয়ের আগে শরত কালে দেবীর পূজা করেছিলেন যা অকাল বোধন নামে পরিচিত এবং মহালয়ার দিনে তিনি তার পূর্ব পুরুষের আত্মার উদ্দেশ্যে তর্পন করে, তাদের আশীর্বাদ নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন|
আর কদিন পরেই দূর্গা পূজা|তবু আজ থেকেই পুজোর আমেজে ভাসবে গোটা বাংলা এবং কিছুদিন পরই পালিত হবে দূর্গা পূজা যা মূলত অশুভ শক্তিকে হারিয়ে শুভ শক্তির জয় লাভ করার উৎসব।
বৈদিক দেবী দূর্গা মূলত শুভ শক্তির প্রতীক, পরাক্রম ও বীরত্বের প্রতীক এবং মহিষাসুর সকল অশুভ শক্তি, ঔদ্ধত্য এবং অহংকারের প্রতীক| দেবীর হাতে মহিষাসুরের পরাজয় প্রমান করে অশুভ শক্তি যতই বলশালী ও ধ্বংসাত্বক হোক না কেনো সত্যের কাছে,শুভ শক্তির কাছে তার পরাজয় হতে বাধ্য|
মহালয়ার এই পুন্য তিথিতে
আপনাদের সবাইকে জানাই দেবী পক্ষের শুভেচ্ছা।আসন্ন শারদউৎসবের শুভেচ্ছা।





