শুভ গণেশ চতুর্থী

2

শ্রী অনিকেত

বর্তমান সময়ে বাংলায় গণেশ পুজো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কালী পুজো দূর্গাপুজোর ন্যায় না হলেও বহু স্থানে বড়ো করে গণেশ পুজোর আয়োজন হচ্ছে। নিঃসন্দেহে আনন্দের কথা

আজকের এই গণেশ চতুর্থী তিথি মূলত সিদ্ধি দাতা গণেশের জন্ম তিথি|ভাদ্র মাসের শুক্লা পক্ষের এই চতুর্থী তিথিতে শিব পার্বতীর পুত্র রূপে আবির্ভূত সিদ্ধিতদা হয়েছিলেন গণেশ।

শাস্ত্র মতে শনিদেবের ক্রোধের জন্য তিনি নিজের মাথা হারান এবং তার বদলে পান হস্তির মাথা। তাই ব্যতিক্রমী এবং মহা বুদ্ধিমান।নিজের বুদ্ধি বলে বাকি দেবতাদের প্রতিযোগিতায় পরাস্ত করে তিনি সর্ব প্রথম নিজের পূজোর স্বীকৃতি আদায় করেছেন।

গণেশ বিঘ্ন হর্তা। সিদ্ধি দাতা এবং সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক।বাস্তু শাস্ত্র ও জ্যোতিষ শাস্ত্রে গনেশের গুরুত্ব অপরিসীম কারন সঠিক পদ্ধতিতে তার পুজো করলে বদলায় ভাগ্য|বাড়িতে গণেশ পূজা করলে সেখানে সুখ, শান্তি যেমন বজায় থাকে, তেমনই প্রবেশ করতে পারে না বিপদ।

যাদের গৃহে গণেশ স্থাপিত আছেন তারা আজ ষোড়শ পচারে গণেশ আরাধনা করুন। গণেশের প্রিয় মোদক নিবেদন করুন এবং ” ওঁম গাং গণপতয়ে ” মন্ত্র একশো আট বার পাঠ করুন। এতে দ্রুত গণেশের কৃপা লাভ করবেন।
গণেশ চতুর্থীতে অনেকেই গণেশ চালিশা পাঠ করেন বা পাঠ শোনেন এতে গণেশের কৃপা লাভ করা যায় বলে বিশ্বাস।

আপনাদের সবাইকে জানাই গণেশ চতুর্থীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন|জয় গণেশ।