শ্রী অনিকেত
আজ ১০ ই সেপ্টেম্বর কৌশিকী অমাবস্যা পালিত হবে সারা দেশ জুড়ে ।সাধারন ভাবে ভাদ্র মাসের প্রথম অমাবস্যাকে কৌশিকী অমাবস্যা বলা হয়। তবে এই কৌশিকী অমাবস্যার ব্যাখ্যা অনেকে অনেক রকম ভাবে হয়।
কৌশিকী অমাবস্যা হলো সেই তিথি যে তিথিতে দেবী তারা মহাশক্তির অধিকারীনী হয়ে কৌশিকী রূপে বধ করেন অত্যাচারী অসুর শুম্ভ ও নিশুম্ভকে।আবার এই কৌশিকী অমাবস্যার রাতকে তারা নিশীও বলা হয় কারন এই তিথিতে দেবী তারার আবির্ভাব হয়।
বহু সাধক মনে করেন এই মহা যোগে দ্বারকা নদীতে স্নান করলে জীবনের সব পাপ থেকে মুক্ত হওয়া যায়|শুধু তাই নয় তন্ত্র মতে করা যেকোনো কাজ এই তিথিতে সর্বাধিক সাফল্য লাভ করে। তাই যুগে যুগে আমাদের মতো জ্যোতিষী বা তন্ত্র সাধকরা মানব কল্যাণ এবং জগৎ কল্যানের জন্য এই তিথিকে বেছে নেন।তন্ত্রশাস্ত্রে বলা হয় কৌশিকী অমাবস্যা সাধকের সিদ্ধি লাভের জন্য সব থেকে প্রশস্ত তিথি।বাংলার মাতৃ সাধকদের অন্যতম তারাপীঠের সাধক বামা ক্ষেপা কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠ মহাশ্মশানে শ্বেতশিমূল বৃক্ষের তলায় সাধক বামাক্ষ্যাপা সিদ্ধিলাভ করেছিলেন।
দেবী তারা হোক বা দেবী কৌশিকী সকলই আদ্যা শক্তির কল্যাণময়ী রূপ। অশুভ কে নাশ করে শুভ শক্তিকে জয়ী করতেই দেবীর আবির্ভাব। আজ এই মহা পুন্য তিথিতে সবাই দেবীর চরনে প্রার্থনা জানান। শাস্ত্র মতে কৌশিকী অমাবস্যা পালন করুন। জয় মা তারা। জয় বাম দেব।





