শুভ স্বাধীনতা দিবস

3

শ্রী অনিকেত

আজ ভারতের আশিতম স্বাধীনতা দিবস|
১৫ অগস্ট, ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছিল।প্রথমেই আপনাদের জানাই স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন।

ভারত আধ্যাত্মিকতার দেশ। দেশের স্বাধীনতায় আধ্যাত্মিক গুরুদের গুরত্ব কম নয়।সুদূর অতীতে নাগা বিদ্রোহ থেকে ইংরেজ আমলে সন্ন্যাসী আন্দোলন। সবাই জড়িয়ে আছে ভারতের স্বাধীনতায়।আছেন ঋষি অরবিন্দর মতো ব্যক্তিত্বদের বলিদান।রয়েছে ভারত সেবাশ্রম বা রামকৃষ্ণ মিশনের অনুপ্রেরণা।আজও আন্দামনের জেলে সেই ইতিহাস উজ্জ্বল।

রামকৃষ্ণ মিশন এবং মঠের তাৎপর্য অন্যরকম। সরাসরি রাজনৈতিক আন্দোলনে না গিয়েও স্বাধীনতাকে প্রভাবিত করেছিল মিশনের আদর্শ
স্বামীজী বহু বিপ্লবীর আদৰ্শ ছিলেন।
এই প্রসঙ্গে সিস্টার নিবেদিতা লেখা থেকে জানা যায় ‘সকল মহান জাতীয়তাবাদীই শ্রীশ্রী মার চরণ স্পর্শ করে যেতেন।

একটি চিঠিতে মিস ম্যাকলাউডকে নিবেদিতা লিখছেন, ‘সব দলগুলিই ঐক্যবদ্ধ হইয়া বলিতেছে, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের নিকট হইতে নূতন প্রেরণা আসিতেছে। কারাগার হইতে মুক্তিলাভ করিয়া দলে দলে সকলে শ্রী মাকে প্রণাম করিয়া যাইতেছে’।

বিশেষ করে আলিপুর বোমা মামলার রায় প্রকাশের পরে বাগবাজারে মায়ের বাড়িতে যেন বিপ্লবীদের ঢল নেমেছিল। সবাই মায়ের আশীর্বাদ চান। তখনই নিবেদিতা সারদামণিকে বলেছিলেন, ‘‘মা, ঠাকুর বলেছিলেন, কালে আপনি বহু সন্তান লাভ করবেন। মনে হয় তার সময় অতি নিকট। সমগ্র ভারতবর্ষই আপনার সন্তান।’’

আলাদা করে বলতে হয় বাংলার সাধু সন্ন্যাসীদের আন্দোলনের কথা যার অন্যতম দলীল বঙ্কিমচন্দ্র রচিত আনন্দ মঠ  এবং বন্দে মাতরম বাণী।

সবাইকে জানাই শুভ স্বাধীনতা দিবস। জয় হিন্দ। বন্দে মাতরম।