শ্রী অনিকেত
বুদ্ধদেব বসু তার একটি উপন্যাসে বাইশে শ্রাবণে রবি-প্রয়াণের বিবরণ দিতে গিয়ে বলেছিল ‘আকস্মিকের মতো নতুন, অবিশ্বাস্যের মতো অসহ্য’।
আজ সেই অভিশপ্ত বাইশে শ্রাবণ। এমনই এক বর্ষার দিনে মহাশূন্যে বিলীন হয়ে গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।বাঙালি হারিয়েছিল তার গর্বের রবি ঠাকুরকে।
মৃত্যু চেতনা তার লেখায় বার বার এসছে,
“আমার দিন ফুরালো ব্যাকুল বাদল সাঁঝে, গহন মেঘের নিবিড় ধারার মাঝে’। এই লেখা তার মৃত্যু ভাবনা কে প্রকাশ করে। আবার তিনি মৃত্যুকে বন্দনা করেছেন এভাবে- ‘মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান।
তাই বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবসে শোক নয়। মনন করার দিন। স্মরণ করার দিন। তাঁর আদর্শ তাঁর
জীবন বোধকে আঁকড়ে ধরার দিন।
আমাদের রবীন্দ্রনাথ ছিলেন এক ঈশ্বরবাদী এবং প্রকৃতির পূজারী যিনি মানব প্রেমকেই নিজের সাধনার প্রধান মাধ্যম বলে মনে করতেন|রবীন্দ্রনাথ উদার বিশ্বমানবিকতার কবি। বিশ্বমানব ও বিশ্বপ্রকৃতির প্রতি তাঁর অনুরাগ ছিল সংস্কারমুক্ত ও ভেদাভেদশূন্য।তাই তার আদর্শ এবং সৃষ্টি অমর এবং অজেয়।
গুরুদেবের প্রয়ান দিবস|আমাদের প্রাণের ঠাকুর রবি ঠাকুর কে আমার প্রনাম ও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করলাম।





