আজ অন্নপূর্ণা পুজোর দিন,যদিও তিনি কাশীর অধিষ্টাত্রী দেবী তবুও বাঙালির সঙ্গে দেবী অন্নপূর্ণার রয়েছে এক অন্য সম্পর্ক,বাংলায় আসলে অন্নপুর্ণা শস্যদেবী, সুপ্রাচীন কাল থেকেই রাঢ় বাংলায় নবান্ন উৎসবের সময় এই অন্নপূর্ণার পুজো হয়ে আসছে।
আজও গ্রামে গ্রামে নতুন ফসল তোলার পরই দেবীর হাতে ধানের পাকা শিষের গুচ্ছো দিয়ে পুজো হয়। কাশীর অন্নপূর্ণার সঙ্গে যার গভীর মিল রয়েছে। কাশীর মন্দিরেও শুধু পাকা ধানের গুচ্ছ বা শষ্য দিয়ে দেবীর পুজো-অর্চনা হয়।
জনশ্রুতি অনুসারে এই দেবীর পুজো করলে অন্নকষ্ট দূর হয়। আমাদের সমাজ জীবনে মাঝে মাঝেই নেমে আসে আকাল বা দুর্ভিক্ষের অশনি সংকেত। বেশিরভাগ বলি হন প্রান্তিক চাষী ও দরিদ্র গৃহস্তরা সেক্ষেত্রে দেবীর কৃপায় দূর হতে পারে অন্নাভাব ও দুর্ভিক্ষ|
পুরান মতে কাশীতে দেবী অন্নপূর্ণা আবীরভূতা হয়েছিলেন এবং স্বয়ং মহাদেবকে অন্ন ভিক্ষা দিয়ে জীবজগৎ কে রক্ষা করেছিলেন|কাশীতে জনপ্রিয় হওয়ার অনেক আগে থেকেই বাংলার লৌকিক দেবী হিসেবে তার পুজোর প্রচলন রয়েছে|লৌকিক মতে দেবী অন্নপূর্ণা মূলত রাঢ়-বঙ্গের দেবী। এই দেবীর পুজো কাশীতে নিয়ে গিয়েছিলেন এক সময় বাঙালিরাই এবং আজ বাংলা ও বাঙালির তথা কথিত দ্বিতীয় গৃহ কাশী দুই স্থানীয় সমান জনপ্রিয় ও প্রসিদ্ধ দেবীর অন্নপূর্ণা|
শাস্ত্র মতে আজকের দিনে দেবীর পুজো ও দান করলে অর্থকষ্ট দূর হয়|যেকোনো জ্যোতিষ ও তন্ত্র সংক্রান্ত কাজের জন্যও দিনটি অত্যন্ত শুভ|আপনাদের সবাইকে জানাই অন্নপূর্ণা পুজোর শুভেচ্ছা|জয় মা অন্নপূর্ণা|ভালো থাকুন|নমস্কার|





