শ্রী অনিকেত
আমি একজন বাঙালি হিসাবে গর্বিত যে আমি সেই ভাষায় কথা বলি যে ভাষায় লিখতেন রবীন্দ্রনাথ।যে ভাষায় বক্তৃতা দিতেন স্বামী বিবেকানন্দ।আজ সেই ভাষার দিন।
আজ মাতৃভাষা দিবস। আজ বাংলা ভাষাকে নিয়ে গর্ব করার দিন।আজ ঐতিহাসিক একুশে ফেব্রুয়ারী, ২০০৮ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত ১৮৮ দেশ একযোগে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তজার্তিক ভাষা দিবস হিসেবে পালন করে , তবে এই দিনটি পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ ও রক্তাক্ত ইতিহাস, মাতৃ ভাষার সন্মান রক্ষার জন্য অসংখ্য বাঙালির লড়াইয়ের ইতিহাস|
আজ আমরা সবাই আমাদের নিজের নিজের মাতৃভাষা কে শ্রদ্ধা জানাই নিজের মতো করে।
আজ একজন বাঙালি হিসেবে এটা ভেবে গর্ব হয় যে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ২৬.৫ কোটি মানুষ বাংলা ব্যবহার করেন।এবং ভাষা আন্দোলনের শহীদদের সন্মান জানিয়ে প্রায় গোটা বিশ্ব আজ আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস পালন করে।
এই ইতিহাস সংক্ষেপে একবার স্মরণ করিয়ে দিই।
স্বাধীনতার ঠিক পরেই ১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র ও সমাজকর্মীরা, এবং সাধারণ মানুষ পাকিস্তান সরকারের ভাষা নীতির বিরোধিতা করেন। নিজেদের মাতৃভাষাকে রক্ষা করতে পথে নামেন তাঁরা। প্রতিবাদীদের দাবি ছিল, উর্দু নয় বাংলা ভাষাকে সেদেশের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার ভাষার স্বীকৃতি দিতে হবে। পাকিস্তানের পুলিশ গুলি চালালে প্রান যায় কয়েকজন আন্দোলন কারীর তবুও প্রতিবাদ থামানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত সরকারকে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা দিতে বাধ্য হতে হয়।
আপনাদের সবাইকে আমার তরফ থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আন্তরিক
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।





