স্বামী বিবেকানন্দর জন্মদিন ও জাতীয় যুবদিবস

7

শ্রী অনিকেত

ঠাকুর বলতেন নরেন শিক্ষা দেবে, তাই করেছিলেন নরেন, হয়ে উঠেছিলেন বীর সন্ন্যাসী বিবেকানন্দ|সনাতন ধর্মকে তিনি জগৎ সভার শ্রেষ্ঠ আসনে  বসিয়েছিলেন, শিখিয়েছিলেন কিভাবে মাথা উঁচু করে মানুষের মতো বাঁচতে হয়, কিভাবে নিজের সর্বস্ব দিয়ে শিব জ্ঞানে জীব সেবা করতে হয়|
আজ সেই মহান দেশ সেবকের জন্মদিন এবং স্বামীজীর জন্মদিনই আমাদের দেশের জাতীয়।
যুব দিবস।

প্রথমেই এই মহান সন্ন্যাসী কে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রনাম এবং আপনাদের সবাইকে জাতীয় যুব দিবসের অনেক শুভেচ্ছা।

স্বামীজী তার অনুগামী দের বলতেন তোরা।
খাটতে খাটতে মরে যা, অর্থাৎ তার কাছে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প ছিলোনা, নিজের জীবন দিয়ে স্বামীজী দেখিয়ে  ছিলেন কিভাবে একটা আদর্শ কে সামনে রেখে লড়াই করতে হয়|কিভবে নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষের সেবায় জীবন উৎসর্গ করতে হয়|

স্বামীজী বাঙালির শ্রেষ্ট আইকন, তিনি ত্যাগ ও সততার প্রতীক|এক কালে বিপ্লবীরা স্বামীজীর বই এবং গীতা একসাথে পকেটে রাখতো। তাঁরা বিশ্বাস করতো স্বামীজীই ভারত। ভারতই স্বামীজী।

১৯৮৪ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিবসটি জাতীয় যুব দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেইমত ১৯৮৫ থেকে ১২ জানুয়ারি দেশজুড়ে পালিত হয় জাতীয় যুব দিবস হিসেবে| এবছর ও হচ্ছে|

মানুষ গড়ার কারিগর স্বামীজি দেশ ও জাতি গঠনে তরুণ তরুণীদের এগিয়ে আসার ওপর বারবার জোর দিয়েছেন। স্থবির, জড় সমাজকে ঘা দিয়ে জাগিয়ে তোলার জন্য বলেছিলেন, গীতা পাঠের থেকে ফুটবল খেলা ভাল|তার জন্মদিনের শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধাঞ্জলি হবে যদি আমরা তার আদর্শকে সামনে রেখে এগোতে পারি।

জয় স্বামীজী। জয় রামকৃষ্ণ। জয় মা সারদা। দিব্যত্রয়ীর জয়।